পুদুচেরিতে পতন ঘটল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের। আস্থাভোটে হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামী পদত্যাগ করলেন।
সোমবার পুদুচেরি বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনে আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমান করতে ব্যর্থ হল নারায়ণস্বামীর সরকার। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরি বিধানসভার মোট আসন ৩৩ টি। গত বছর জুলাই মাস থেকে কাল রাত পর্যন্ত একের পর এক বিধায়কের পদত্যাগের ফলে আসন সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২৬। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস ডিএমকের ক্ষমতায় থাকার জন্য দরকার ছিল ১৪ টি আসন।
রবিবার শাসক শিবিরের দু’জন বিধায়ক, কে লক্ষ্মীনারায়ণ ও কে বেঙ্কটেশন পদত্যাগ করায় জোট সরকারের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ তে।
আরও পড়ুন: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসমের একাধিক রেল লাইন, মেরামতির কাজে ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র
এই অবস্থায় বিরোধীদের পক্ষ থেকে আস্থাভোটের দাবি করা হয়। বিরোধীদের দাবি অনুযায়ী আস্থাভোটের প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আস্থাভোটের ফলাফলে, বিরোধী শিবিরে এনআর কংগ্রেস,এআইএডিএমকে, বিজেপি জোটের আসনসংখ্যা এখন ১৪।
সোমবার বিধানসভা কক্ষে বক্তব্য রাখতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিধায়কদের দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা উচিত। যে বিধায়করা তাঁদের ইস্তফা জমা দিয়েছেন মানুষ ওঁদের সুবিধাভোগী হিসেবে চিনবেন। নিজের বক্তব্য রাখার পর বিধায়কদের নিয়ে বিধানসভা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান ভি নারায়ণস্বামী।
[আরও পড়ুন- তেলের দাম কমালেন মমতা, ১ টাকা সেস মকুব রাজ্যের, কার্যকর মাঝরাত থেকে]
আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটে বিহার থেকে বিজেপি বিরোধী জোটের প্রার্থী হতে পারেন কানহাইয়া কুমার
বিধানসভার স্পিকার আস্থাভোটের ফলাফল ঘোষণা করার পরেই পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী রাজভবনে গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।
এদিন ভি নারায়ণস্বামী অভিযোগ করেন, প্রাক্তন রাজ্যপাল কিরণ বেদী ও কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধীদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। পুদুচেরির মানুষদের কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।




