দ্বিতীয় মোদী সরকারের প্রথম বাজেটকে একযোগে বিঁধল বাম ও তৃণমূল। এই বাজেটকে কর্পোরেট ও বিদেশি কোম্পানিকে ভোট পরবর্তী ‘পেব্যাক গিফট’ বলে সমালোচনা করল সিপিএম। অন্যদিকে, তৃণমূলের কটাক্ষ, এখনও মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়ে চলেছে মোদী সরকার।
শুক্রবার দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেন এই বাজেটের লক্ষ্য ‘গাঁও গরিব কিসান’। যদিও তৃণমূলের খোঁচা, এতদিন শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে এসেছে মোদী সরকার, একটিও পালন করেনি। মোদী সরকারের বাজেটকে সাধারণ মানুষের কাছে দুঃস্বপ্ন বলে মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর কটাক্ষ, মোদী সরকারের বাজেটে বেকারদের কর্মসংস্থানের কোনও কথা বলা হয়নি। আর দেশের কৃষকদের আয় ২০২২ সালের মধ্যে দ্বিগুণ করার যে লক্ষ্যমাত্রা মোদী সরকার নিয়েছে, তা পূরণ করতে ২০৪০ সাল লেগে যাবে বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল সাংসদ।
অন্যদিকে, সিপিএমের কটাক্ষ,দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে এই বাজেট ছিল বিদেশি ও কর্পোরেট সংস্থাকে মোদী সরকারের উপহার। বিমাতে একশো শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছে সিপিএম। পাশাপাশি রেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিকাঠামোয় বেসরকারি বিনিয়োগেরও বিরোধিতা করা হয়েছে।
শুক্রবার দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেন এই বাজেটের লক্ষ্য ‘গাঁও গরিব কিসান’। যদিও তৃণমূলের খোঁচা, এতদিন শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে এসেছে মোদী সরকার, একটিও পালন করেনি। মোদী সরকারের বাজেটকে সাধারণ মানুষের কাছে দুঃস্বপ্ন বলে মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর কটাক্ষ, মোদী সরকারের বাজেটে বেকারদের কর্মসংস্থানের কোনও কথা বলা হয়নি। আর দেশের কৃষকদের আয় ২০২২ সালের মধ্যে দ্বিগুণ করার যে লক্ষ্যমাত্রা মোদী সরকার নিয়েছে, তা পূরণ করতে ২০৪০ সাল লেগে যাবে বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল সাংসদ।
অন্যদিকে, সিপিএমের কটাক্ষ,দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে এই বাজেট ছিল বিদেশি ও কর্পোরেট সংস্থাকে মোদী সরকারের উপহার। বিমাতে একশো শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছে সিপিএম। পাশাপাশি রেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পরিকাঠামোয় বেসরকারি বিনিয়োগেরও বিরোধিতা করা হয়েছে।