নিজের কার্যালয়ে ইন্টার্ন নিয়োগ করতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। মূলত প্রচারে ঝড় তুলতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। সাধারণ মানুষ কি চাইছেন? প্রচারের নয়া ট্রেন্ড কি? এইসব জানাতে হবে বিজেপির সদর দফতরে। সেই কারণেই ইন্টার্ন নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সভাপতির কার্যালয়।
রাজ্য সভাপতির লেটারহেড প্যাডে ইচ্ছুক ইন্টার্নদের আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। শতাধিক আবেদন পত্র জমা পড়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে ৪ জনকে।
দিলীপ ঘোষের কার্যালয় সূত্রের খবর, চারটি বিষয়ে ইন্টার্নরা আবেদন করতে পারবেন। মএই চারটি বিষয় হল, আইন বিষয়ক (লিগ্যাল), গ্রাফিক্স, রাজনৈতিক (পলিটিক্যাল) এবং সামাজিক (সোশ্যাল) মাধ্যম। আবেদনকারীরা পড়ুয়াও হতে পারেন। কাজের সময় ১১টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা। লেটারহেডে বলা হয়েছে, এই চারটি বিষয়ে ইন্টার্নরা বাড়ি থেকেও কাজ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ঘটনায় প্রথম থেকেই নিষ্ক্রিয় কেন প্রধানমন্ত্রী মোদী? অভিযোগ তুলল তৃণমূল
আইনের বিষয়ে ইন্টার্নরা বিজেপি ও দিলীপ ঘোষ কীভাবে আইনি সমস্যা কাটিয়ে এগিয়ে যাবেন, সেই বিষয় খসড়া তৈরি করবেন। রাজ্য সভাপতিকে আইনি ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করবে ওই বিভাগ।
বিভিন্ন পোস্টার, অনলাইন ভিডিও ক্লিপ, মিম বানিয়ে প্রচারের কাজে সহায়তা করবে গ্রাফিক্স ইন্টার্নরা।
সামাজিক মাধ্যমেও কীভাবে প্রচার চালানো যায়, সেটা তদারকি করবে সামাজিক মাধ্যমের ইন্টার্নরা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি কোন কোন বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে সামাজিক মাধ্যমে তা বুঝে মূল্যায়ন করতে হবে।
চলতি নির্বাচনের আগে বিজেপির পক্ষ থেকেই প্রথম দলীয় কাজের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে ইন্টার্ন নিয়োগ করা হচ্ছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এর আগে ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দলীয় কার্যালয়ে দুই ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়া ইন্টার্নশিপ করতে এসেছিলেন।




