সাম্প্রতিক অতীতে নীরব মোদী, বিজয় মালিয়ার মতো অন্তত ৩৬ জন শিল্পপতি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। দিল্লির আদালতে এমনই দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। ১৫ ই এপ্রিল অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড ভিভিআইপি চপার কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির এজেন্ট সুসেনমোহন গুপ্তর জামিনের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে আদালতে সওয়াল করে ইডি।
মামলার শুনানি চলাকালীন অভিযুক্ত সুসেনমোহন গুপ্তর জামিনের আবেদন করে আইনজীবী সওয়াল করেন, তাঁদের মক্কেলের সামাজিক শিকড় অনেক গভীরে। তাই তাঁর পালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সওয়াল শুরু করেন ইডির আইনজীবীরা। তাঁরা বলেন, বিজয় মালিয়া, ললিত মোদী, নীরব মোদী, মেহুল চোকসি এবং সন্দেসরা ভাইদের সামাজিক শিকড় আরও গভীরে ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁদের পালিয়ে যেতে বাধেনি। শেষ কয়েক বছরে অন্তত ৩৬ জন শিল্পপতি ফৌজদারি মামলার প্রেক্ষিতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলেও আদালতে জানায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট।
মামলার শুনানিতে এদিন ইডির আইনজীবী সমবেদনা ভার্মা আদালতকে জানান, তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। ইডি সুসেনের ডায়েরি থেকে আর জি নামে একজনের সম্বন্ধে জানতে পেরেছে। আর জি নামে কার কথা লিখেছিলেন সুসেন, তা এখন তদন্তকারী সংস্থা খুঁজে দেখছে বলে আদালতকে জানান ইডির আইনজীবী।
এদিকে ইডি আদালতে এই কথা জানানোর পরই দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিরোধীরা ফের নিশানা করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীকে। বিরোধীদের অভিযোগ, চৌকিদারের আমলে একের পর এক শিল্পপতি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। আর কেন্দ্র দাবি করছে, দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুন্নুরে ভেঙে পড়ল সেনার হেলিকপ্টার, কপ্টারে ছিলেন সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত




