Take a fresh look at your lifestyle.

রয়েছে একগুচ্ছ পরিষেবা, অন্য ট্রেনগুলোর থেকে কেন আলাদা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস 

হাওড়ায় এসে পৌঁছেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। খুব শীঘ্রই শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। শীতের মরশুমে কলকাতা থেকে অসংখ্য পর্যটক পাহাড়ে পাড়ি দিচ্ছেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যে টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে উঠবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। কিন্তু অন্য এক্সপ্রেস ট্রেনগুলোর থেকে বন্দে ভারতে বিশেষ কী কী সুবিধা মিলবে? 

বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্র্রেনে আলাদা করে কোনও ইঞ্জিন লাগানো হচ্ছে না। মেট্রোর মতো এই ট্রেনের সঙ্গেই ইঞ্জিন থাকছে। ট্রেনটির যখন টিকটি কাটবেন, তার সঙ্গেই খাওয়ারের দামও ধরা থাকবে। আপনি যদি হাওড়া থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন, তাহলে সফরের সময় সকালের জলখাবার এবং দুপুরের খাওয়ার দেওয়া হবে। আর যদি শিলিগুড়ি থেকে হাওড়া আসেন, তবে ট্রেনে সন্ধ্যে বেলার চা এবং রাতের খাওয়ার দেওয়ার হবে। আপনি আপনার ইচ্ছে মতো সময়েই খাওয়ার পাবেন। খাওয়ার পরিবেশনের জন্য একটি বিশেষ ক্যাটারিং ব্যবস্থাও থাকছে। 

আসনের ক্ষেত্রেও ট্রেনটিতে চমক রয়েছে। বসার জন্য একাধিক বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোট ১৬টি বগি রয়েছে। এই ১৬টি বগির মধ্যেই আবার আসন সংখ্যা দু’ভাবে ভাগ করা হয়েছে। একটি ইকোনোমি ক্লাস এবং অন্যটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস। এক্সিকিউটিভ ক্লাসের চেয়ারগুলো আবার সম্পূর্ণ ভাবে ১৮০ডিগ্রি ঘোরানো যায়। আপনি চেয়ারে বসে ট্রেনের যে দিকে খুশি মুখ করে বসতে পারবেন। এছাড়াও প্রত্যেকটি কোচেই থাকছে সিসিটিভি। ইন্টারনেট, ওয়াইফাইয়ের সুবিধা। 

ট্রেনটি গতির জন্যও অন্যান্য এক্সপ্রেসের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। শতাব্দী এক্সপ্রেসের থেকে ৫০ কিমি বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। জানা গিয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস সর্বচ্চ ১৮০ কিমি বেগে ছুটতে পারে। যদিও বর্তমানে হাওড়া থেকে জলপাইগুড়ি ৭২ থেকে ৯০ কিমি বেগে ছুটবে বলে জানা গিয়েছে। 

 

Comments are closed.