আই লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল। বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামের রিয়াল কাশ্মীর এফসি বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করল ইস্টবেঙ্গল। রিয়েল কাশ্মীরকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ক্রিজো। ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান মার্কোস।
রিয়াল কাশ্মীরের পেনাল্টি বক্স পর্যন্ত পৌঁছে বারবার গতি হারাচ্ছিল লাল-হলুদ শিবির। মাঝমাঠ থেকে উঠে আসছে বেশ কিছু ভালো পাস। দু’দিকের উইং দিয়ে চলছে খেলা তৈরির চেষ্টা। কিন্তু পেনাল্টি বক্সের ভিতরে আর কোনওভাবেই নিজেদের খেলা ধরে রাখতে পারছিলেন না ইস্টবেঙ্গল প্লেয়াররা। কাশ্মীরের রক্ষণভাগে প্রায় কোনও চাপই ছিল না প্রথমার্ধে।
সবথেকে বেশি বিভ্রান্ত লাগছিল মার্কোস ডি লা এসপাদাকে। গোটা প্রথমার্ধ জুড়েই ঠিক কী করবেন তা যেন ঠিক করে উঠতে পারছিলেন না তিনি। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ক্যালামের বাড়ানো লং বল থেকে সুযোগ এসে যায় রিয়াল কাশ্মীরের কাছে। কাশিম এবং মেহতাব দু’জনেই তখন হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়েছেন মাঠের মধ্যে। আর ঠিক সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাঁক খাওয়ানো শটে গোলে বল জড়িয়ে দেন দীর্ঘদেহী ক্রিজো। মিনিট পাঁচেক পর কাশিমের হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন কাশ্মীরের ক্যালাম। ম্যাচের ৪৫ মিনিটের মাথায় সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে যায় মার্কোসের সাইডভলি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে চেনা ইস্টবেঙ্গলকে দেখা যায় মাঠে। লাগাতার আক্রমণ থেকে তৈরি হয় অনেকগুলো সুযোগ, কিন্তু কোনওটাই কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ৪৭ মিনিটে পিন্টু মাহাতোর ক্রস ফাঁকায় পেয়েও গোল করতে পারেননি জুয়ান মেরা। পরপর দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন মার্কোস। তবে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরালেন সেই মার্কোস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৭ মিনিটে। জুয়ান মেরার অসামান্য পাস থেকে ফ্লিকে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরালেন মার্কোস। তারপরও আক্রমণের তীব্রতা কমেনি ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচের ৮১ মিনিটের মাথায় মেহতাবের হেড গোল লাইন থেকে সেভ করে কাশ্মীরের গোলরক্ষক। ফলে ফলাফল দাঁড়ায় ১-১। ৩ পয়েন্ট না পেলেও দৃষ্টিনন্দন খেলার সাক্ষী থাকল সর্মথকরা।

 

ধারাবাহিকভাবে পাশে থাকার জন্য The Bengal Story র পাঠকদের ধন্যবাদ। আমরা শুরু করেছি সাবস্ক্রিপশন অফার। নিয়মিত আমাদের সমস্ত খবর এসএমএস এবং ই-মেইল এর মাধ্যমে পাওয়ার জন্য দয়া করে সাবস্ক্রাইব করুন। আমরা যে ধরনের খবর করি, তা আরও ভালোভাবে করতে আপনাদের সাহায্য আমাদের উৎসাহিত করবে।

Login Subscribe

You may also like