লকডাউনে আটকে থাকা দেশের ২৫ টি শহরে অভিবাসী শ্রমিকদের মুখে খাবার তুলে দিতে গত রবিবার থেকে কর্মসূচি নিয়েছে নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই-প্যাক। দু’দিনে কলকাতা সহ ১৭ টি শহরে ‘সব কী রসোই’ কর্মসূচির মাধ্যমে ২ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিল তারা।

আই-প্যাক জানাচ্ছে, কলকাতায় মোট ৬ টি খাবার ডেলিভারি সংস্থার মাধ্যমে ১৫ হাজার ৫০ টি খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার কলকাতায় আরও ৬ হাজার ৫০০ খাবার প্যাকেট সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পি কে’র সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাক।
আরও পড়ুন: দেশবাসীকে ফ্রি টিকার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার

গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের প্রথম পর্যায়ে কোভিড – ১৯ মহামারীর কারণে যাঁরা অন্নসংস্থান করতে পারছেন না, তাঁদের জন্য আগামী ১০ দিনে অন্তত ১৫ লক্ষ খাবার পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছেন প্রশান্ত কিশোররা। এ জন্য প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষ খাবার প্যাকেট নিয়ে বিভিন্ন শহরে বিলে করছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: Rajya Sabha Vote: মৌসম নুর ও দীনেশ বাজাজের মনোনয়নে ত্রুটির অভিযোগ বামেদের, মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত
করোনাভাইরাসের জেরে খাবার তৈরি থেকে সেগুলি প্যাকেটবন্দি করে মানুষের হাতে তুলে দেওয়া, এই তিন দফায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে লকডাউনের সময় সরকারি গাইডলাইন মেনে যাতে এই কর্মসূচি সফল করা যায় তার যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানায় আই-প্যাক। মিল তৈরি ও বিলির জন্য এক হাজারের বেশি কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেছে তারা। তাদের এই উদ্যোগে সামিল হওয়ার ইচ্ছে থাকলে [email protected] এবং ৬৯০০৮ ৬৯০০৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর লকডাউন ঘোষণার পর এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। ট্যুইটারে তিনি লিখেছিলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এই লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়ত ঠিক। কিন্তু আগাম প্রস্তুতি ছাড়া তিন সপ্তাহ ধরে এই লোকডাউনের ফলে প্রবল সমস্যায় পড়বে গরিব মানুষ।




