করোনা আতঙ্কে ক্লাবগুলোকে আর্থিক সহায়তা অনুষ্ঠানে কাটছাঁট। চেক পৌঁছে যাবে ক্লাবে ক্লাবে। খেলাশ্রী প্রকল্পে কৃতী ক্রীড়াবিদদের সম্মান জানানোর অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে থেকে সমস্ত রাজ্য সরকারের কাছে করোনাভাইরাস নিয়ে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে সমস্ত প্রকাশ্য জমায়েত নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের খেলাশ্রী প্রকল্পের বার্ষিক অনুষ্ঠান ছিল শুক্রবার। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো নির্দেশিকা পড়ে শোনান এবং জানান, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কেন্দ্র ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। কেন্দ্র বলছে খেলার মাঠে জমায়েত নিষিদ্ধ করার কথা। আমরা বিকেলে বৈঠক করে খতিয়ে তা দেখব, বলেন মমতা। পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানও দ্রুত শেষ করার কথা বলেন। এদিন রাজ্যের বহু ক্লাব ও কৃতী ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু তিনি বলেন, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সেই অনুষ্ঠান রদ করা হচ্ছে। আগামী পরশুর মধ্যে ক্লাবে ক্লাবে টাকা পৌঁছে যাবে বলেও জানিয়ে দেন মমতা। কলকাতায় ক্লাবে টাকা পাঠানোর ভার তিনি দেন নগরপালের উপর আর রাজ্যের ক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব নেবেন ডিজি।
এদিন আই লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মোহনবাগান ক্লাবের জয়ী ফুটবলারদের রাজ্য সরকারের তরফে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। মমতা ব্যানার্জি ডুমুরজলা স্টেডিয়ামকে শৈলেন মান্নার নামে করার নির্দেশ দেন। প্রয়াত অমল দত্তের নামেও ময়দান হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে একটি তোরণ তৈরির পরামর্শও দেন।
আরও পড়ুন: আকাশের মুখ ভার তিলোত্তমার, মাঝে মাঝে বৃষ্টি, বিকেলের দিকে বর্জ্র বিদ্যুতের সম্ভাবনা
রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত কেউ নেই বলে জানানোর পাশাপাশি মমতা বেশ কয়েকটি বহুল প্রচারিত পরামর্শও মেনে চলার কথা বলেন। মমতার কথায়, সর্দি-জ্বর হলেই তা করোনা নয়। তবে সাবধানতা অবলম্বন করাই আসল। কীভাবে হাত ধোবেন এবং হাঁচি-কাশি এলে কীভাবে করবেন, তাও মঞ্চ থেকে হাতেকলমে দেখিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। কারও সঙ্গে কথা বলার সময় অন্তত ৫ মিটার দুরত্ব বজায় রাখারও বার্তা দেন মমতা ব্যানার্জি।




