ইয়াসের ক্ষত এখনও টাটকা। এই মুহূর্তে ফের একটা ঘূর্ণি ঝড়ের মুখে রাজ্য। যদিও আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, ‘অশিন’র সরাসরি কোনও প্রভাব রাজ্যে পড়বে না। তবু প্রস্তুতিতে খামতি রাখতে রাজি নয় প্রশাসন। পূর্ব মেদনীপুরের, দক্ষিণ ২৪ পরগণার মতো উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ফ্লাড সেন্টার, এনডিআরএফ, উপকূলরক্ষী বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে দিঘা, ফ্রেজারগঞ্জ, বকখালিতে সতর্কতা মূলক প্রচার শুরু হয়েছে।
কাঁথির বাকিপুটে সমুদ্র বাঁধ পরিদর্শন করবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এদিকে সমুদ্রের ধারে ট্রলারগুলিকে বেঁধে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির তত্ত্বাবধান করতে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম সফর পিছিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
এদিকে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এক নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে কলকাতার বেশ কিছু জায়গা জলমগ্ন। কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে,
সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে মানিকতলায় ১৭ মিলিমিটার,বালিগঞ্জে ৫৭ মিলিমিটার,দত্তবাগানে ৩৩ মিলিমিটার, পামারবাজারে ৩৪ মিলিমিটার, সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে ৫৩ মিলিমিটার ও মোমিনপুরে ৫৫ মিলিমিটার। সেক্টর ফাইভেরও বেশ কিছু জায়গায় জল জমে গিয়েছে। যার জেরে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন অফিসযাত্রীরা।
আরও পড়ুন: বিসর্জন বিপর্যয়ে ৭ উদ্ধারকারীকে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার; স্বজনহারাদের সরকারি চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী




