একসঙ্গে সাতটি খুনের দোষী সাব্যস্ত হয়ে ১৩ বছর পর ফাঁসির দড়ি গলায় উঠতে চলেছে আসামী শবনম আলির। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে স্বাধীনতার পর শবনমই হবে ভারতের প্রথম মহিলা অপরাধী, যার ফাঁসি হবে। মথুরা জেলে ফাঁসির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, কিন্তু সম্পূর্ণ বিষয় নিয়ে এখনও অনিশ্চিত জেল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে শবনমের পরিবার চাইছে ঘরের মেয়ের ফাঁসিতে যাতে কোনো বাঁধাবিঘ্ন না আসে।
সব ঠিকঠাক থাকলে শবনমের মৃত্যুদণ্ডের দায়ভার আরোপিত হবে মেরঠের বাসিন্দা পবন জহ্লাদের উপর। গত বছর দিল্লির নির্ভয়ার দোষীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন তিনি। সেই পবন জহ্লাদের কাঁধে এবার নতুন দায়িত্ব। মথুরা জেলেই সেই মহিলাকে ফাঁসি দেওয়া হবে বলে ফাঁসিকাঠ থেকে শুরু করে যাবতীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন তিনি।
২০০৮ সালে নিজের পরিবারের ৭ জন সদস্যকে ঠান্ডা মাথায় গলার নলি কেটে খুন করেছিলেন শবনম। প্রথমে পানীয়তে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করেন। তারপর প্রেমিককে ডেকে কুঠারের আঘাতে একে একে খুন করে সকলকে।
আরও পড়ুন: ৩ দশক ধরে জমি পড়ে, এক চুল কাজ হয়নি গাওস্করের ক্রিকেট অ্যাকাডেমির জমি ফেরত চায় মহারাষ্ট্র সরকার
শবনমের শাস্তি যথাযথ এমনটা জানিয়ে পবন জহ্লাদ বললেন, লখনউ থেকে শবনমের ডেথ ওয়ারেন্ট এলে তিনি ফাঁসির চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করবেন। বংশপরম্পরায় পবনরা ফাঁসুরে। পবনের দাদু কালু জহ্লাদের হাতে তাঁর হাতে খড়ি। পবন এই প্রথম একসঙ্গে চার জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিলেন। আর এবার পবন স্বাধীন ভারতের প্রথম কোন মহিলা অপরাধীকে ফাঁসি দিতে চলেছেন।




