Gold ₹143,450/10g
Silver ₹240.05/g
Petrol ₹113.51/L
Diesel ₹99.82/L
Kolkata 31°C
27 June 2026

১৮ ই অগাস্ট নেতাজির মৃত্যুদিবস, তীব্র বিতর্কে পড়ে ট্যুইট সরিয়ে নিল পিআইবি! আসল তথ্য প্রকাশের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

নেতাজিকে নিয়ে পিআইবি’র ট্যুইটের পর তীব্র চাপান-উতোর রাজনৈতিক মহলে

১৮ ই অগাস্ট নেতাজির মৃত্যুদিবস, তীব্র বিতর্কে পড়ে ট্যুইট সরিয়ে নিল পিআইবি! আসল তথ্য প্রকাশের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

১৮ ই অগাস্ট ১৯৪৫। তাইওয়ানের তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার দিনকেই নেতাজির মৃত্যু দিবস বলে ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার, যা নিয়ে শুরু হয়ে গেল তীব্র বিতর্ক। ওই বিমান দুর্ঘটনার দিন নেতাজির মৃত্যু হয়েছে কিনা তা নিয়ে ঐতিহাসিক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্তর মতভেদ এবং বিতর্ক রয়েছে। ফলে রবিবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) এই ঘোষণার পক্ষে এবং বিপক্ষে ফের উঠে এসেছে একাধিক মত।

পিআইবি’র ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং খোদ বিজেপির গুজরাত রাজ্য নেতৃত্ব। অন্যদিকে, পালটা ট্যুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নেতাজির পরিবারের সদস্য এবং তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সুগত বসু জানিয়েছেন, সত্য মানুষকে মেনে নিতে হবে। কিন্তু কী ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, যা নিয়ে হঠাৎ শুরু হয়েছে বিতর্ক?
রবিবার পিআইবি একটি ট্যুইট করে যাতে মুহূর্তে তোলপাড় পড়ে যায় দেশে। বিশেষ করে বাংলায় এই ট্যুইট ঘিরে রাজনৈতিক চাপান-উতোর চরমে ওঠে। কারণ, বাংলার বহু মানুষ এখনও বিশ্বাস করেন, নেতাজির মৃত্যু নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি ১৯৪৫ সালের ১৮ ই অগাস্ট নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং এখনও বেঁচে আছেন। স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রেই এই ঘোষণায় ক্ষোভ তৈরি হয় তাঁদের মধ্যে।
পিআইবি’র এই ঘোষণার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একটি ট্যুইট করে ঘুরিয়ে কেন্দ্রের এই বক্তব্যে বিরোধিতা করেন এবং তাইহোকু বিমানবন্দর থেকে নেতাজি নিখোঁজ হওয়ার পরের ঘটনা জানানোর আবেদন রাখেন।

আরও পড়ুন: গুগলের গোপন বৈঠকের ভিডিও ফাঁস, সংস্থা-কর্মী আস্থায় ফাটলের কথা মানছেন উদ্বিগ্ন সুন্দর পিচাই

তবে পিআইবি’র পর একই সুরে ১৮ ই অগাস্টকে নেতাজির মৃত্যুদিন হিসেবে ধরে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাতে শুরু করেন বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা। যদিও এ রাজ্যের নেতাজি ভক্তদের একটা অংশের দাবি, তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনার দিনকে নেতাজির তিরোধান দিবস হিসেবে ধরে নেওয়ার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা নেই। কারণ, তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। তীব্র বিরোধিতা আসে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও। এমনকী নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বাংলায় বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ানো চন্দ্র বসুও পিআইবি’র ট্যুইটের বিরোধিতা করেন। ফরওয়ার্ড ব্লকের তরফ থেকে পিআইবির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। এদিকে রবিবার পিআইবি’র তরফে ট্যুইটটি করা হলেও সোমবার সেই ট্যুইটের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পর্যবেক্ষকদের একাংশের অনুমান, প্রবল চাপের মুখে বিতর্কিত ট্যুইটটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে পিআইবি কর্তৃপক্ষ।
রাজ্যের হাতে থাকা নেতাজি সংক্রান্ত বহু ফাইল প্রকাশ্যে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর নেতাজি রহস্য উন্মোচনে তিনি কেন্দ্রের কাছেও ফাইল প্রকাশ্যে আনার দাবি জানিয়েছেন। রবিবার পিআইবি’র টুইটের পর মুখ্যমন্ত্রী আবেদন করেন, নেতাজিকে নিয়ে সমস্ত তথ্য প্রকাশ করুক কেন্দ্র।

Track Latest News Live on TheBengalStory.com and get news updates from West Bengal and around the world.

Editor's choice