শীতলকুচিতে মৃত আনন্দ বর্মনকে নিয়ে নীরব মমতা ব্যানার্জি। বুধবার ফের প্রচারে এসে অভিযোগ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
বুধবার প্রচারে এসে জে পি নাড্ডা প্রথম জনসভা করেন রাজারহাটে। সেখানে ডক্টর বি আর আম্বেদকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কর্মসূচি শুরু করেন। এ দিন রাজারহাটের সভা থেকে মমতা ব্যানার্জিকে নিশানা করে নাড্ডা বলেন, শীতলকুচিতে বিজেপি কর্মী আনন্দ বর্মনকে খুন করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তাঁর অভিযোগ, আনন্দ বর্মনের মৃত্যু নিয়ে এখনও নীরব মুখ্যমন্ত্রী। এর থেকেই স্পষ্ট তৃণমূল দলিত বিরোধী।
জেপি নাড্ডার মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। বলেন, জেপি নাড্ডা মূর্খ! উনি হিমাচলের লোক। বাংলা সম্পর্কে কিছু জানেন না তাই এসব মন্তব্য করেছেন। মমতা ব্যানার্জি ৫-৬ বার আনন্দ বর্মনের নাম উল্লেখ করেছেন। অন্য ৪ জনের পরিবারের পাশাপাশি বর্মন পরিবারকেও সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। সৌগত রায়ের অভিযোগ, আধা সামরিক বাহিনীর এই পদক্ষেপকে বিজেপি নিন্দা না করে উল্টে ঘটনাকে সামনে রেখে ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি করছে। এর নিন্দা করি।
আরও পড়ুন: লোকসভায় পরুষদের তুলনায় মহিলাদের ভোটদানের হার অনেক বেশি হওয়া কীসের ইঙ্গিত?
প্রসঙ্গত মমতা ব্যানার্জি শীতলকুচিতে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত প্রথম ভোটার আনন্দ বর্মনের নাম নিচ্ছেন না মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কেবল ১২৬ নম্বর বুথে মৃত ৪ জনের নাম। বিজেপি নেতারা শুরু থেকেই এই ইস্যুতে হইচই করছে। পাল্টা তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের অভিযোগ এনেছে। অমিত শাহকে ঠগ, মিথ্যেবাদী বলেও আক্রমণ করেছেন ডেরেক ও’ব্রায়ান। কিন্তু বিজেপি এই ইস্যু জে ছাড়তে নারাজ তা স্পষ্ট নাড্ডার বক্তৃতায়।




