Take a fresh look at your lifestyle.

যোগী: ক্ষমতায় এসে অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড গড়বে BJP, বাংলায় নারী সুরক্ষা বিপন্ন

158

বুধবার জলপাইগুড়ির মালের জনসভা থেকে যোগী আদিত্যনাথ  ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় উত্তরপ্রদেশের মত সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই সেই সুশাসনের মডেলের কথা আরেকবার শোনা গেল যোগীর মুখে। বললেন, বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড তৈরী করবে বিজেপি।

বৃহস্পতিবার চতুর্থ দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে হুগলির চাঁপদানিতে জনসভা করেন যোগী। সেই সভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলার নারীদের সুরক্ষা বিপন্ন। স্কুল কলেজের বাইরে মেয়েদের উত্যক্ত করার জন্য যে সব ছেলেরা দাঁড়িয়ে থাকবে, তাদের শায়েস্তা করতে যোগীর দাওয়াই ইউপি মডেলের অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড। যদিও কার্যক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে যোগীর এই বাহিনী নিয়ে বিরোধীরা একাধিকবার সরব হয়েছে। 

নারী সুরক্ষার পাশাপাশি এদিন বাংলার মেয়েদের জন্য বিজেপির একাধিক পরিকল্পনার কথাও বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমবঙ্গের মেয়েদের জন্য বিজেপি কেজি থেকে পিজি পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা করবে। পাশাপাশি এদিন ফের আরেকবার তিনি বললেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের মেয়েদের জন্য গণপরিবহনে কোনও খরচ লাগবে না। 

অন্যান্য সভার মত এদিনও যোগী অভিযোগ করলেন বাংলায় তৃণমূল ১০ বছর ধরে তোষণের রাজনীতি করে গিয়েছে। ঘাসফুল শিবিরকে তাঁর তোপ, সিএএর বিরোধিতা করে বাংলায় যে দুষ্কৃতীরা অশান্তি করেছে, ট্রেন জ্বালিয়েছে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে তাদের মদত দিয়েছে তৃণমূল। প্রসঙ্গত এই সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ট্রেনে যারা আগুন লাগাচ্ছেন তাদের পোশাক দেখেই চেনা যায়। এই মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় পরে গিয়েছিল দেশে। মোদী ক্ষমা চাননি। উল্টে বিজেপি নেতারা প্রকাশ্যে এই মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন। 

যোগীর দাবি, উত্তরপ্রদেশে সিএএ নিয়ে যারা বিক্ষোভ দেখিয়েছে, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে তাদের প্রশাসনের তরফে উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রসঙ্গও এদিন উঠে আসে তাঁর বক্তব্য। দাবি করলেন,  কাশ্মীরে আতঙ্কবাদ শেষ করেছেন মোদী, অমিত শাহ। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, এখন চাঁপদানির লোকও কাশ্মীরে জমি কিনে থাকতে পারবেন।

বাংলায় ভোটের প্রচারে কার্যত নিত্য যাতায়াত করছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু রাজ্যে তাঁর সভায় মোটেই ভিড় হচ্ছে না। যা নিয়ে চিন্তায় গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের কটাক্ষ, লোক হচ্ছে না বলেই এই সব গরম গরম মিথ্যে বলে লোক টানতে হচ্ছে বিজেপিকে। 

Comments are closed.