সমঝোতা এক্সপ্রেস বিস্ফোরণ মামলায় অসীমানন্দ সহ ৩ অভিযুক্তকে বেকসুর খালাসের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক পাকিস্তানি তরুণী। রাহিলা ভাকিল নামে ওই তরুণীর দাবি, ২০০৭ সালে ১৮ ই ফেব্রুয়ারি পাণিপথে ঘটা সমঝোতা এক্সপ্রেস বিস্ফোরণের ঘটনায় যে ৬৮ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, তার মধ্যে ছিলেন তাঁর বাবা মহম্মদ ভাকিল। চলতি বছরের মার্চে পঞ্চকুলার এনআইএ আদালতে অসীমানন্দ সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বেকসুর খালাসের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন রাহিলা ভাকিল।
আরও পড়ুন: NPR 2020: আলোচনা চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলকে চিঠি দিল কেন্দ্র, এনপিআর হবে না জানিয়েছে দুই রাজ্যই
শুক্রবার আইনজীবী মোমিন মালিকের মাধ্যমে আদালতে জমা দেওয়া তাঁর হলফনামায় রাহিলা ভাকিল আবেদন করেছেন, সমঝোতা এক্সপ্রেস বিস্ফোরণ মামলায় তাঁর ও পাকিস্তানের অন্যান্য প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেওয়া হোক। এর আগে পঞ্চকুলার এনআইএ আদালতের বিচারপতি জগদীপ সিংহ রাহিলার আবেদন খারিজ করেছিলেন।
২০০৭ সালে ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার পথে হরিয়ানার পানিপথে সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণ ঘটে। মৃত্যু হয় ৬৮ জনের। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ১৯ জন মহিলা ও ১৬ শিশু। ২০১১ সালে পঞ্চকুলার বিশেষ এএনআই আদালতে চার্জশিট পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। ৮ অভিযুক্তের নাম ছিল ওই চার্জশিটে। যার মধ্যে ছিলেন, নবকুমার সরকার ওরফে স্বামী অসীমানন্দ, লোকেশ শর্মা, কমল চৌহান ও রাজিন্দর চৌধুরী। এদের মধ্যে ২০০৭ সালে বিস্ফোরণ মামলায় মূল অভিযুক্ত সুনীল জোশীর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়। অন্যান্যদের বিরুদ্ধে খুন ও অপরাধমূলক চক্রান্তের অভিযোগে মামলা রুজু করে এনআইএ। বিস্ফোরক আইন ও রেলওয়ে আইনেও মামলা দায়ের হয়। কিন্তু উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে চলতি বছরের ২০ শে মার্চ অসীমানন্দ সহ ৩ অভিযুক্তকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেয় পঞ্চকুলার এনআইএ আদালত।




