Take a fresh look at your lifestyle.

কিডনি পাচার চক্র গুজবে অশান্তি অব্যাহত ত্রিপুরায়, আক্রান্ত সিপিএম মুখপত্রের সাংবাদিক।

0
অশান্তি অব্যাহত ত্রিপুরায়। রাজ্য সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, জেলায় জেলায় বিজেপি আশ্রিত সমাজ বিরোধীদের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন দলের নেতা-কর্মীরা। ভাঙচুর চালানো হচ্ছে দলীয় কার্যালয়গুলিতে। বহু এলাকায় ভেঙে ,পুড়িয়ে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে সিপিএম সমর্থকদের ঘর বাড়ি। শনিবার, মোহনপুরে ব্যক্তিগত কাজে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ত্রিপুরা সিপিএমের মুখপত্র ‘ডেইলি দেশের কথা’র সাংবাদিক নারায়ণ ধর। অভিযোগ, মোহনপুর ব্লকের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের অফিসের সামনে তাঁকে মাটিতে ফেলে মারধর করে জনা কুড়ির এক দুষ্কৃতী দল। কাঠ দিয়ে পেটানো হয় তাঁকে। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
 গত ২৬ জুন ত্রিপুরার মোহনপুরে এক কিশোরের নৃশংস খুনের ঘটনা এবং তাকে ঘিরে কিডনি পাচারচক্র ও ছেলেধরার গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে ত্রিপুরার বহু এলাকায়। ত্রিপুরা সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, এই অশান্তির মূলে রয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এবং তাদের ইন্ধন দিচ্ছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যরা। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে বিজেপির তরফে বার্তা ছড়ানো হয়েছে যে, মোহনপুরের এই নাবালক খুনের ঘটনায় কিডনী পাচার চক্র জড়িত এবং পাড়ায় পাড়ায় ছেলেধরারা ঘুড়ে বেড়াচ্ছে বাচ্চাদের অপহরণের জন্য। রাজ্যের সিপিএম নেতা-কর্মীরাও এই অসাধু চক্ররের সঙ্গে জড়িত বলে গুজব ছড়ানো হয়েছে।
এই গুজবের জেরে গত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত মোহনপুর, সাব্রুম এবং বিশালগড় মহকুমায় দুই মহিলাসহ চার জনের মৃত্যু হয়। দিকে দিকে দুষ্কৃতীরা সিপিএম নেতা-কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতে এতটাই জটিল হয় যে গুজব রুখতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার ইন্টারনেট পরিষেবা। সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, ত্রিপুরার শিক্ষামন্ত্রী তথা মোহনপুরের বিধায়ক রতনলাল নাথের দায়িত্বজ্ঞানহীন উষ্কানিমূলক মন্ত্যব এই হিংসাত্মক পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.