চিনে মৃত্যু ছুঁতে চলেছে হাজার, করোনাভাইরাস প্রবণ দেশের মধ্যে ভারত ১৭ তম স্থানে
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিভিন্ন দেশের হাওয়ার গতিবেগ সংক্রান্ত তথ্য, কোন কোন জায়গায় এই অসুখের প্রবণতা রয়েছে, এ রকম বেশ কয়েকটি তথ্যের উপর ভিত্তি করে সমীক্ষা করা হয়েছে। তাছাড়া চিন থেকে বিভিন্ন পর্যটক যে দেশগুলিতে সবচেয়ে বেশি যান, সেখানকার বিমানবন্দরগুলিতে এই ভাইরাসের আমদানির আশঙ্কা প্রবল। সেটাও এই সমীক্ষার আর একটি ভিত্তি। যে ৩০ টি দেশে চিনের মানুষ সবচেয়ে বেশি যাতায়াত করেন, স্বাভাবিকভাবে এই মারণ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা সেগুলিতেই বেশি। সমীক্ষা বলছে, শতাংশের বিচারে যে দেশগুলিতে চিনারা বেশি যান, তার মধ্যে অন্যতম হল ভারত। এই ‘রিলেটিভ ইমপোর্ট রিস্ক’ অনুসারে ভারত রয়েছে ১৭ তম স্থানে।
বহির্দেশের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রবণতায় প্রথমেই রয়েছে থাইল্যান্ড। সেখানকার বিমানবন্দরগুলির মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি ২.১৭৯ শতাংশ। থাইলান্ডের পরে করোনাভাইরাসপ্রবণ দেশ হিসেবে উঠে আসছে জাপান (ঝুঁকি ১.৭১৫ শতাংশ)। তারপর রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া (ঝুঁকি ১.১০১ শতাংশ), হংকং (০.৯৮০ শতাংশ)।
তবে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে যে দশটি দেশকে করোনাভাইরাসপ্রবণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে ভারত নেই। পাশাপাশি চিন ছাড়া যে ৪০ টি বিমানবন্দরকে করোনাভাইরাসের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছে সেখানেও ভারতের কোনও বিমানবন্দর নেই।
চিনে করোনাভাইরাস একরকম মহামারির আকার নেওয়ার জন্য ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উইচ্যাট, উইবো ইত্যাদি চিনের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটকে নজরে রাখছে চিন। করোনাভাইরাসের ভয়াবহ ছবি যাতে বহির্বিশ্বে না ছড়িয়ে পড়ে, তাই চিনা সরকারের এই পদক্ষেপ বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

Comments are closed.