২৬ জুলাই সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেই জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
আর তৃণমূল নেত্রীর এই দিল্লি সফর এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শোনা গেল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়।
রবিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকার চালানোর মত পরিস্থিতি নেই, তাই দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাতজোড় করতে। তাঁর কথায়, ভুয়ো আইএএস থেকে শুরু করে ভুয়ো ভ্যাকসিন, একের পর এক দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে রাজ্য। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিপুল টাকার দেনা রয়েছে। এই সব কিছুর জেরেই কার্যত রাজ্য চালাতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী, তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য ছুটেছেন। তৃণমূল সুপ্রিমোর দিল্লি সফরকে পলিটিক্যাল ট্যুরিজম বলেও খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ।
আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টি চলবে আরও ২-৩ দিন, অনেকটাই মিটবে বৃষ্টির ঘাটতি
তৃণমূল নেতৃত্ব দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে একজন মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন এটাই স্বাভাবিক। ভোটে হেরে গিয়ে দিলীপ বাবুরা অবসাদগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই এসব কথা বলছেন, কটাক্ষ কুণালের।
তৃণমূল নেত্রীর দিল্লি সফরের দিকে নজর রয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলের। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা ব্যানার্জি সমস্ত বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। সেদিক থেকে দিল্লি সফরে মমতার সঙ্গে কোন কোন দলের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২৪’র যুদ্ধের একটি পূর্বাভাস মিলতে পারে তৃণমূল নেত্রীর দিল্লি সফরে।




