সরকারি স্কুলগুলিতে শিক্ষকের অভাব নিয়ে জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যের কাছে স্কুলগুলির কী অবস্থা? স্কুলগুলিতে পড়ুয়া পিছু কতজন শিক্ষক, শিক্ষিকা রয়েছেন? জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যকে এক সপ্তাহর মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অন্যদিকে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ৪ সপ্তাহ সময় চেয়েছে রাজ্য।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়ার ওন্দার ৩ টি সরকারি স্কুলের মধ্যে ২টি স্কুলে কম সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। অথচ বাকি একটি স্কুলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সংখ্যায় শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। শিক্ষকের সংখ্যা পর্যাপ্ত না থাকায় বাড়ছে স্কুল ছুটের সংখ্যা। এই নিয়ে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলির কী অবস্থা? স্কুলগুলিতে পড়ুয়া পিছু কত শিক্ষক, শিক্ষিকা রয়েছেন?
কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে পুজোর পর ধীরে ধীরে স্কুল খোলার চিন্তা করছে রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্ৰী আগেই জানিয়ে দিয়েছেন। করোনার জন্য প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ রয়েছে রাজ্যের সরকারি, বেসরকারি সব স্কুল।




