Take a fresh look at your lifestyle.

বিক্রি নেই, মারুতি সুজ়ুকি-হন্ডা-মাহিন্দ্রা-টাটা মোটর্সে সাময়িক বন্ধ গাড়ি উৎপাদন, অবিক্রিত ৩৫ হাজার কোটির গাড়ির পাহাড় শোরুমে

দেশে হু-হু করে কমছে গাড়ি বিক্রি। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় প্রকাশ, বিক্রি না হওয়ায় প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার গাড়ির এখন ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নীচে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতির বহর কমাতে উৎপাদন সাময়িক স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সবকটি অটোমোবাইল সংস্থা।
সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থার প্রায় ৫ লক্ষ চার চাকার গাড়ি অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে বিভিন্ন শহরের শোরুমে। পরিস্থিতি এমনই যে শোরুমের তরফে মাঠ ভাড়া করে রাখতে হচ্ছে অবিক্রিত গাড়ি। এই অবিক্রিত গাড়িগুলির মোট দাম প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। মোটর বাইক বিক্রির অবস্থাও তথৈবচ। সেখানেও দেখা যাচ্ছে, অবিক্রিত বাইকের পাহাড় জমছে শোরুমগুলিতে, কিন্তু ক্রেতার দেখা নেই। গত ৭ মাসে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার বাইকের স্টক অবিক্রিত বলে জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় দেশের প্রথম সারির দুই ও চার চাকার গাড়ি নির্মাণ সংস্থাগুলি আপাতত উৎপাদন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে ২৩ থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় গাড়ি উৎপাদন বন্ধ রাখছে মারুতি সুজ়ুকি। একইভাবে, হন্ডা কারস ইন্ডিয়া, মাহিন্দ্রা, টাটা মোটরস, রেনো-নিসানের মতো গাড়ি সংস্থাগুলি গত মে মাস থেকে পর্যায়ক্রমে বন্ধ রেখেছে গাড়ি উৎপাদন। শোরুমগুলি থেকে স্টক ক্লিয়ার না হলে নতুন গাড়ি রাখার জায়গা হচ্ছে না। এদিকে, উৎপাদন স্থগিতেও চাপ বাড়ছে ডিলার ও গাড়ির শোরুম মালিকের ওপর। শোরুমে বাড়ছে গাড়ির পাহাড়, ক্রেতা নেই, কিন্তু বিশাল অঙ্কের জিএসটি দিতে হচ্ছে সরকারকে।
দেশজুড়ে গাড়ি ব্যবসায় মন্দার ফলে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থাকে, ভালো কর্মসংস্থানের অভাবে নতুন ক্রেতা তৈরি হচ্ছে না বলে অভিমত অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

Comments are closed.