মমতার সঙ্গেই জনতা। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা বলছে এবার তাদের ভোট ছাপিয়ে যাবে ২০১৬ য় প্রাপ্ত ভোটকে। মুখ্যমন্ত্রী পদে সমর্থনের নিরিখে মমতার ধারেকাছে নেই কেউ।
২০০ র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। ইদানীং বঙ্গ বিজেপির নেতাদের সুর এই শব্দবন্ধে বাঁধা পড়েছে। অমিত শাহ যে ২০০ আসনের লক্ষ্য দিয়েছেন তার বাস্তবে কতটা কী হল তা বুঝতে অপেক্ষা করতে হবে মে মাস পর্যন্ত। তা বলে রাজনৈতিক দলগুলো বসে নেই। ভোটের খাতায় কী হবে তা আগেভাগে আঁচ পেতে ইতিমধ্যেই বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে সমীক্ষা করানো শুরু হয়ে গেছে। ভোটের আগে পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে।
সম্প্রতি তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি বেসরকারি সংস্থাকে সমীক্ষার ভার দেওয়া হয়। তার রিপোর্ট স্বস্তি দিয়েছে নেতাদের। তৃণমূলের সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, এ যাবৎ সবচেয়ে বড়ো জয় পেতে চলেছেন মমতা ব্যানার্জি।
আরও পড়ুন: কোচবিহারে শাহের মুখে পাকিস্তান! ডিভিডেন্ড না বুমেরাং?
অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল পেতে পারে ৫১.২% ভোট। যা এ যাবৎ সর্বোচ্চ। ২০০৬ সালে তৃণমূল পেয়েছিল ২৬.৬% ভোট। ২০১১ সালের পরিবর্তনের ভোটে ৩৯%। ২০১৬ সালে ৪৪.৯%। ২০১৯ সালে ৪৪%। সমীক্ষায় পূর্বাভাস এইবার মমতা পেতে পারেন ৫১.২% ভোট।
শুধু রাজনৈতিক দলই না বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও ভোট সমীক্ষা করাবে। কিন্তু ভোট সমীক্ষা কখনওই ভোটের প্রকৃত প্রতিফলন নয়। তাই ভোটের বাক্সে কী আছে তা জানার জন্য মে মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। কিন্তু একটা বিষয় স্পষ্ট, এই রিপোর্টে সামান্য হলেও স্বস্তিতে তৃণমূল শিবির। স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা জানতে অপেক্ষা মে মাসের।



