একবার আলোচনাই যথেষ্ট নয়, দ্বিতীয় মোদী সরকারের ডাকে ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ বৈঠকে এমনই জানাল সিপিএম সহ বিরোধীরা। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরামর্শদাতা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।
যদিও গোটা দেশে লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হোক একইসঙ্গে, মোদী সরকারের এই পরিকল্পনা নিয়ে ডাকা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, মায়াবতী, অখিলেশ যাদবের মতো বিরোধী নেতারা। উপস্থিত ছিলেন ইয়েচুরি সহ ২১ টি রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাঁদের বেশিরভাগই ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ নিয়ে একবার আলোচনাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেছেন। কীভাবে ‘ এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ অবশ্য বৈঠক থেকে বেরিয়ে দাবি করেন, সিপিআই, সিপিএম ছাড়া অধিকাংশ বিরোধী দলই এই নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
সিপিএমের বক্তব্য, ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতি কার্যকর হলে, তা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও গণতন্ত্র বিরোধী হবে। ইয়েচুরি অভিযোগ করেন, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ এর মাধ্যমে ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ভোট ব্যবস্থা চালু করার কথা ভাবছে মোদী সরকার। সিপিএমের প্রশ্ন, অনাস্থা প্রস্তাব কিংবা অন্য কোনও কারণে কোনও রাজ্যে সরকারের পতন ঘটলে কী হবে?
বিরোধীদের আশঙ্কা, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ চালু হলে দেশের আঞ্চলিক দলগুলি সমস্যায় পড়বে। লোকসভা ভোটের সময় বিধানসভা ভোট হলে বিজেপি, কংগ্রেসের মতো জাতীয় দলগুলি বেশি প্রাধান্য পাবে বলে মনে করছেন অনেক বিরোধী নেতা।
অন্যদিকে, বিজেপির যুক্তি, ‘এক রাষ্ট্র, এক ভোট’ কার্যকর হলে, নির্বাচনী খরচ কমবে, ভোটের কারণে দেশের উন্নয়নের কাজ থমকে যাবে না। মোদীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি প্রধান নবীন পট্টনায়েক, অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগনমোহন রেড্ডি।
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত, একটি বৈঠক করে নেওয়া যায় না। তাঁর দাবি, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ নিয়ে মতামত জানতে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কেন্দ্র। অন্যদিকে মায়াবতী জানিয়েছিলেন, এই বৈঠকে ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপার দিয়ে ভোট করানোর ব্যাপারে আলোচনা হলে, তিনি যেতেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের অভিযোগ, মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে চাইছে মোদী সরকার। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তেলুগু দেশম পার্টি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু এবং তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও দলের তরফে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন।
যদিও গোটা দেশে লোকসভা ও বিধানসভা ভোট হোক একইসঙ্গে, মোদী সরকারের এই পরিকল্পনা নিয়ে ডাকা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধী, মায়াবতী, অখিলেশ যাদবের মতো বিরোধী নেতারা। উপস্থিত ছিলেন ইয়েচুরি সহ ২১ টি রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাঁদের বেশিরভাগই ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ নিয়ে একবার আলোচনাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেছেন। কীভাবে ‘ এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ অবশ্য বৈঠক থেকে বেরিয়ে দাবি করেন, সিপিআই, সিপিএম ছাড়া অধিকাংশ বিরোধী দলই এই নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
সিপিএমের বক্তব্য, ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতি কার্যকর হলে, তা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও গণতন্ত্র বিরোধী হবে। ইয়েচুরি অভিযোগ করেন, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ এর মাধ্যমে ঘুরপথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ভোট ব্যবস্থা চালু করার কথা ভাবছে মোদী সরকার। সিপিএমের প্রশ্ন, অনাস্থা প্রস্তাব কিংবা অন্য কোনও কারণে কোনও রাজ্যে সরকারের পতন ঘটলে কী হবে?
বিরোধীদের আশঙ্কা, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ চালু হলে দেশের আঞ্চলিক দলগুলি সমস্যায় পড়বে। লোকসভা ভোটের সময় বিধানসভা ভোট হলে বিজেপি, কংগ্রেসের মতো জাতীয় দলগুলি বেশি প্রাধান্য পাবে বলে মনে করছেন অনেক বিরোধী নেতা।
অন্যদিকে, বিজেপির যুক্তি, ‘এক রাষ্ট্র, এক ভোট’ কার্যকর হলে, নির্বাচনী খরচ কমবে, ভোটের কারণে দেশের উন্নয়নের কাজ থমকে যাবে না। মোদীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি প্রধান নবীন পট্টনায়েক, অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগনমোহন রেড্ডি।
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত, একটি বৈঠক করে নেওয়া যায় না। তাঁর দাবি, ‘এক রাষ্ট্র, এক নির্বাচন’ নিয়ে মতামত জানতে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কেন্দ্র। অন্যদিকে মায়াবতী জানিয়েছিলেন, এই বৈঠকে ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপার দিয়ে ভোট করানোর ব্যাপারে আলোচনা হলে, তিনি যেতেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবের অভিযোগ, মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতে চাইছে মোদী সরকার। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তেলুগু দেশম পার্টি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু এবং তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও দলের তরফে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিলেন।




