Take a fresh look at your lifestyle.

প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রবীন বামপন্থী শ্রমিক নেতা এ কে রায়, পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন

প্রয়াত হলেন প্রবীন বামপন্থী নেতা এ কে রায়। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। ধানবাদ-ঝরিয়ায় বামপন্থী শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলার নেপথ্যে এ কে রায়ের ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে বেশি। বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন তিনি। এ কে রায়ের মৃত্যুতে শোকের ছায়া দেশের বামপন্থীদের মধ্যে। গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস।

বাংলাদেশের রাজশাহীতে জন্ম এ কে রায়ের। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনের প্রায় পুরোটাই বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে। এমনকী সাতের দশকে পৃথক ঝাড়খণ্ড রাজ্য তৈরির ক্ষেত্রেও এ কে রায়ের ভূমিকার কথা স্বীকার করেন দলমত নির্বিশেষে সবাই। মূলত ধানবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় খনি শ্রমিকদের মধ্যে প্রবল জনপ্রিয় এ কে রায় ১৯৬৭ সালে প্রথমবার সিপিএমের টিকিটে সিন্ধ্রি বিধানসভা থেকে নির্বাচিত হন। তারপর ১৯৬৯ এবং ১৯৭২ সালেও বিধায়ক নির্বাচিত হন এ কে রায়। ১৯৭৭, ১৯৮০ এবং ১৯৮৯ সালে ধানবাদ থেকে লোকসভাতেও নির্বাচিত হন আজীবন বামপন্থী এ কে রায়। ঝাড়খণ্ডের কয়লা খনি এলাকায় খনি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এ কে রায়ের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হয়েছিলেন শ্রমিকরা। সর্বভারতীয়স্তরে সিটুর বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন।

তিনবার করে বিধায়ক ও সাংসদ হওয়ার পরেও এ কে রায়ের জীবনযাপন ছিল একেবারেই প্রান্তিক মানুষের মতো। অকৃতদার এই মানুষটির নিজের কোনও বাড়ি ছিল না, ছিল না কোনও সম্পত্তিও। বরাবরই ধানবাদের দলীয় অফিসে থাকতেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন শ্রমিক আবাসনে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে থাকতেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের স্নাতক এ কে রায়। সোমবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

Comments are closed.