বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার খুনের ঘটনায় উত্তাল বারাকপুর সহ বাংলার রাজনীতি। কিন্তু কে এই মণীশ শুক্লা, যাঁর খুনের পর উঠে আসছে বারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎ তোপদারের নাম? কেন উঠে আসছে নিহত এই বিজেপি নেতার সঙ্গে সিপিএম যোগের কথা? মণীশ শুক্লা প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা তড়িৎ তোপদারের মুখোমুখি The Bengal Story.
প্রশ্ন: মণীশ শুক্লা খুনের পর ফের উঠছে তাঁর সঙ্গে সিপিএম যোগের কথা। আপনি কী বলবেন?
আরও পড়ুন: মমতা: এটা আমার ভোট, আমায় চাইলে জোড়া ফুলে ভোট দিন, প্রার্থী কে ভাববেন না
তড়িৎ তোপদার: মণীশ আমাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল এটা ঠিক, কিন্তু সেটা কত বছর? চার-পাঁচ বছর হবে। আমাদের লিডিং যুবকর্মী ছিল, ভালোই কাজ করত। কিন্তু মণীশ যতদিন আমাদের সঙ্গে ছিল, ততদিন তার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগও ওঠেনি।
আরও পড়ুন: Md Salim: দ্বিমুখী নয় বাংলায় লড়াই এবার ত্রিমুখী, অতিমারি প্রাসঙ্গিকতা ফিরিয়েছে বামেদের
প্রশ্ন: লোকজন বলছেন, আপনার ইলেকশন মেশিনারির অন্যতম মুখ ছিলেন মণীশ। আপনার সঙ্গে মণীশ শুক্লার কী সম্পর্ক ছিল?
তড়িৎ তোপদার: আমি এই প্রশ্নের কোনও জবাব দেব না (রাগত স্বরে)। আমি মুখে চিনতাম না মণীশকে। হ্যাঁ, নাম অবশ্যই জানতাম। তবে জানতাম না, এই ছেলেটাই মণীশ শুক্লা। আমার পক্ষে সম্ভব নাকি সবার খোঁজ রাখা? স্থানীয়ভাবে কাজ করত। স্থানীয় নেতারা চিনতেন। তাছাড়া আমাদের সঙ্গে ও ছিল কতদিন? আমি তাকে প্রথম মুখে চিনি ২০১১ সালের পর। তখন জানতে পারি, এই ছেলেটাই মণীশ শুক্লা।
প্রশ্ন: কেন খুন হলেন মণীশ শুক্লা?
তড়িৎ তোপদার: রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের শিকার মণীশ। এককথায় এটাই বলতে পারি, বারাকপুরের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি, তাতে ক্রিমিনালদের দাপাদাপির জন্য খুন হয়েছে মণীশ শুক্লা। টিটাগড় থানার একদম সামনে সন্ধেবেলা যেভাবে খুন হয়েছে, তাতেই বোঝা যাচ্ছে বারাকপুরের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা কী? তবে এটা বলতে পারি, বিজেপি যাই লাফালাফি করুক, মণীশের খুনের কারণ, ভেস্টেড ইন্টারেস্ট।



