পরপর দুই ম্যাচে হার। চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে হারের পর, বুধবার গোকুলাম এফসি’র কাছেও হারল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ হারল ১-৩ গোলে। গোকুলাম এফসির হয়ে দুটি গোল করেন হেনরি এবং মার্কাস। অন্য গোলটি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার মার্তির আত্মঘাতী। ইস্টবেঙ্গলের গোলদাতা কাশিম আইডারা। এই হারের পর আই লিগ দখলের লড়াইয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। আর তাতেই কল্যাণীর গ্যালারিতে আগুন জ্বললো। ভিআইপি গ্যালারিতে বসেছিলেন কোয়েস ইস্টবেঙ্গল সিইও সঞ্জিত সেন।

সমর্থকদের রাগ গিয়ে পরে তাঁর উপর। তাঁকে রীতিমত ঘিরে ধরে চড়-থাপ্পড় মারেন সর্মথকরা। জুতো দিয়ে মারা হয়ে তাঁকে। কোনওভাবে তাঁকে বাঁচিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো মেনিনডেজের নামে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই জঘন্য ফুটবল খেলে ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক ভুল করে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ। ২০ মিনিটে হেনরি কিসেকার গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। সাত মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। ডিকার ফ্রিকিকে প্রথমে হেড করেন আশির আখতার। তাঁর হেড পোস্টে লেগে ফিরলে ফাঁকায় দাঁড়ানো কাশিম গোল করেন। প্রথমার্ধের শেষের দিকে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মার্তি ক্রেসপি। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের ভুলে ব্যবধান বাড়ান গোকুলামের মার্কাস। এই ম্যাচের পর ৬ ম্যাচ খেলে ৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে রইল ইস্টবেঙ্গল। এর পরের ম্যাচেই প্রতিপক্ষ মোহনবাগান। চাপের সঙ্গেই চিন্তা অনেকটাই বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের। আর তার মধ্যেই বিনিয়োগকারী সংস্থার কর্তার আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বিতর্ক যে আরও বাড়াবে তা বলাই বাহুল্য।

 

ধারাবাহিকভাবে পাশে থাকার জন্য The Bengal Story র পাঠকদের ধন্যবাদ। আমরা যে ধরনের খবর করি, তা আরও ভালোভাবে করতে আপনাদের সাহায্য আমাদের উৎসাহিত করবে।

Login Support us

You may also like

Investigation on 2011 World Cup Final
Srilanka Sold 2011 World Cup Final