Take a fresh look at your lifestyle.

পাক সাংবাদিকের সঙ্গে দুবাইয়ে ৩ রাত কাটিয়েছিলেন শশী থারুর, সুনন্দা পুষ্কর মামলায় সওয়াল সরকারি আইনজীবীর

কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্কর মৃত্যু মামলায় নয়া মোড়। সাংসদ শশী এবং পাকিস্তানি সাংবাদিক মেহের তারার দুবাইয়ে ৩ রাত একসঙ্গে কাটিয়েছেন। শনিবার দিল্লির আদালতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সরকারি আইনজীবীর। সুনন্দা পুষ্করের এক সাংবাদিক বন্ধুর বিবৃতি তুলে ধরে এই দাবি করেন আইনজীবী অতুল শ্রীবাস্তব।

আদালতে শুনানি চলাকালীন, শশী থারুরের প্রয়াত স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের বন্ধু সাংবাদিক নলিনী সিংহের একটি বিবৃতি পড়ে শোনান অতুল শ্রীবাস্তব। তাতে লেখা ছিল, সুনন্দার সঙ্গে আমার ৩-৪ বছরের পরিচয়। শেষ এক বছর ধরে সুনন্দা তাঁর ব্যক্তিগত সমস্যার কথা আমাকে বলা শুরু করেছিল। থারুরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও সুনন্দা আমাকে বিভিন্ন বিষয় বলেছিল। সুনন্দাই আমাকে জানায়, দুবাইয়ে শশী থারুর এবং মেহের তারার ৩ রাত একসঙ্গে কাটিয়েছিল।

সুনন্দার মৃত্যুর ঠিক আগেরদিন ও আমাকে ফোন করে। সুনন্দা কাঁদতে কাঁদতে আমাকে বলে, শশী এবং মেহের তারারের মধ্যে রোমান্টিক এসএমএসের আদানপ্রদানের কথা। তেমনই একটি মোবাইল বার্তায় লেখা ছিল, ভোটের পরই শশী সুনন্দাকে ডিভোর্স করবেন। আর শশী থারুরের এই সিদ্ধান্তে মত ছিল তাঁর পরিবারেরও বলে বিবৃতিতে লেখা আছে।

বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অজয়কুমার কুহর বর্তমানে সুনন্দা পুষ্কর মৃত্যু মামলার সওয়াল জবাব শুনছেন। সরকারি আইনজীবী শ্রীবাস্তব আদালতকে জানান, দু’জনেরই এটা তৃতীয় বিয়ে। মানসিক চাপের কারণেই আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন সুনন্দা পুষ্কর। সুনন্দা পুষ্করের ছেলে শিব মেনন আদালতকে জানিয়েছেন, আমার মা মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী মহিলা ছিলেন। তিনি আর যাই হোক আত্মহত্যা করতে পারেন না।

সরকারি আইজীবী সুনন্দা পুষ্করের ভাই আশিসেরও বিবৃতি আদালতে পড়ে শোনান। তাতে লেখা রয়েছে, সুনন্দা আমার দিদি। বিয়ে করে সুনন্দা খুব খুশি ছিল। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় হতাশায় ভুগলেও আত্মহত্যা করার মানুষ সুনন্দা না।

থারুরের পরিচারক নারায়ণ সিংহ আদালতে জানিয়েছেন, আমি শশী থারুরের বাড়িতে কাজ করতাম। স্যার ও ম্যাডামের মধ্যে খুব ঝগড়া হয়েছিল। ম্যাডামের বন্ধু সঞ্জয়ও সেখানে ছিলেন। তিরুবন্তপুরম থেকে ফেরার পরই দুজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এমনকী দুবাইয়েও কেটি নামে এক মহিলাকে নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ভোর ৪ টে পর্যন্ত দুজন সেদিন ঝগড়া করেছিলেন। তারপর সুনন্দা ভোর সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত ফোনে কথা বলছিলেন।

আদালত বর্তমানে দুপক্ষের সওয়াল জবাব শুনছে।

Comments are closed.