Take a fresh look at your lifestyle.

বুধবার ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত ভোটের গণনা, রাস্তায় পড়ে ব্যালট পেপার, ভোটের নামে প্রহসনের অভিযোগ সিপিএমের

৩১ শে জুলাই বুধবার ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত ভোটের গণনা। এমনিতেই ২৭ তারিখ ভোটের আগেই ত্রিপুরার ৮৬ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে নিয়েছে বিজেপি। মাত্র ১৪ শতাংশ আসনে ভোট হয়েছে। সেখানেও নির্বাচনের নামে কার্যত প্রহসন হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএম। এমনকী সোমবার ত্রিপুরার বিলোনিয়ার রাজনগর এলাকায় রাস্তা থেকে উদ্ধার হয়েছে ব্যালট পেপার। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ব্যালট পেপারটির নম্বর ০২৯৯৪। ব্যালট পেপারটিতে প্রিসাইডিং অফিসার জনৈক দীপক বৈদ্যর সইও রয়েছে।

ত্রিপুরায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই বারবার বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ জানিয়েছে সিপিএম। সন্ত্রাস যে কী মাত্রায় হয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে যায় ভোটের আগেই। জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েত মিলিয়ে ৮৬ শতাংআসনে প্রার্থীই দিতে পারেনি বিরোধী দল সিপিএম। শনিবার ভোটের দিনও বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে সিপিএম। বহু জায়গায় সিপিএমের ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। সোমবার সিপিএমের পক্ষ থেকে ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে। কাউন্টিং এজেন্টরা যাতে বিনা বাধায় বসতে পারেন তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রিপুরায় ৫৯১ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬,১১১ টি আসনের মধ্যে ভোট হয়েছে মাত্র ৮৩৩ টি আসনে। বাকি আসনগুলো আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে নিয়েছে বিজেপি। ৩৫ টি পঞ্চায়েত সমিতির ৪১৯ টি আসনের মধ্যে ভোট হয় মাত্র ৮২ টি আসনে। সিপিএমের অভিযোগ, ৩৩৭ টি আসনে বিজেপি সন্ত্রাস করে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী দাঁড় করাতেই দেয়নি। একই অবস্থা জেলা পরিষদেও। রাজ্যের ৮ টি জেলা পরিষদের ১১৬ টি আসনের মধ্যে শনিবার ভোট হয় ৭৯ টি আসনে। বাকি ৩৭ টি আসন আগেই পকেটে পুরে ফেলেছে বিজেপি। অর্থাৎ, মোট ৬,৬৪৬ টি আসনের মধ্যে শনিবার ভোট হয়েছে কেবলমাত্র ৯৯৪ টি আসনে। কিন্তু যেখানে ভোট হয়েছে সেখানেও ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিরোধীরা। এবার গণনাতেও সন্ত্রাস হবে বলে আশঙ্কা সিপিএমের।

Comments are closed.